ফ্রি মেয়েদের লাইভ ভিডিও লাইভ ভিডিও কল এখুনি দেখুন!

বোনের কাবিন incest choti

বোনের কাবিন incest choti

আমার দাদাবাড়ী আর নানা বাড়ী ছিল পাশাপাশি গ্রামে। তবুও আমরা ছোট বেলা থেকে নানুবাড়ী যেতে পারিনা। মামাদের সাথে আম্মার সম্পর্ক ভাল ছিলনা কেননা আম্মা ছোট বেলাই নানা নানী দুজন কে হারান। আম্মা বড় হয় মামাদের কাছে, আমার তিন মামার মধ্য শুধু ছোট মামা দেশে আছেন এবং বাকী দুই মামা সৌদি আরবে পরিবার সহ চলে গেছেন প্রায় ত্রিশ বছর আগে। এরা এখন অবধি দেশে আসে নাই। তারাও কখনো আম্মার খোঁজ খবর নে নাই।

ছোট মামার সাথে আম্মার সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কারন হল নানা মারা যাওয়ার পূর্বে আম্মাকে বেশ কিছু সম্পত্তি দিয়ে যান। দুই মামা তাদের সব সম্পত্তি বেঁচে দিয়ে চলে গেছে তাই সম্পত্তি ছিল শুধু আম্মা আর ছোট মামার। যেহেতু ছোট মামা আম্মাকে বড় করেছেন এবং তিনি বিয়ে দিয়েছেন তাই আম্মার প্রাপ্ত ভাগ তিনি নিজের নামে করে ফেলেছেন। আম্মা যেহেতু ছোট ছিল তাই মামা এই কাজ টা করে ফেলেন। পরবর্তীতে অবশ্য কখনো আম্মাকে আমরা দেখি নাই সম্পত্তির জন্য কোন রকম ঝগড়া বিবাধ করতে।

inces

আম্মার আসলে সম্পত্তির জন্য কোন চাওয়া ছিল না। কিন্তুু আম্মার কষ্ট শুধু এই কারনে যে আম্মাকে তার ভাই রা কখনো দেখতে আসা বা কোন খোঁজ খবর নিত না তা নিয়ে। বড় মামা নাকি বিদেশে মারা গেছে, সেই খবর টাও আম্মা জানতে পারে অনেক দিন পরে।


আর এদিকে দাদাবাড়ী ছেড়ে আমরা চলে আসি অনেক বছর আগে। অবশ্য গ্রামে আমাদের জমিজমা সব আছে। আব্বা রা ছিলেন দুই ভাই আর দুই বোন। আমার দাদা গ্রামে প্রভাবশালী মানুষ ছিলেন। তার দানকৃত জায়গাতে মসজিদ, মাদ্রাসা হয়েছে। দাদা কে গ্রামে হাজী সাহেব বলে ডাকতো। এই গ্রামে তিনিই প্রথম বিমানে করে হজ্বে গিয়েছিলেন। গ্রামের চেয়ারম্যান অবধি দাদার সামনে কথা বলতে পারতোনা। আমার বাবা চাচা ফুফি সবাই কে তিনি শিক্ষিত করেছেন। incest


আমার বড় ফুফি মারা গেছেন, আর চাচার সাথে আব্বার তীব্র বিরোধ। বিরোধের কারন সেই সম্পত্তি। চাচার সাথে মনমালিন্য হওয়াই আব্বা একেবারে গ্রাম ছেড়ে চলে আসেন। তবে গ্রামে যে একদম যাওয়া হয়না তা কিন্তুু নয়। বছর তিনেক আগে আমাদের পরিবারের সবাই গ্রামে গিয়েছিলাম চাচাত ভাই এর বিয়ে উপলক্ষ্যে। কিন্তুু সমস্যা টা যখন আব্বা আর চাচার মধ্যে তখন তো আর এত সহজে সমাধান হয় না।আমাদের পরিবারে শুধু ছোট ফুফির সাথে একমাত্র ভাল সম্পর্ক আছে। কারন ফুফিরাও শহরে থাকে।


আমাদের পরিবার নিয়ে এত কথা কেন বললাম তা পরে বুঝতে পারবেন। আর হ্যাঁ এটা গল্প মনে করতেও পারেন। আবার সত্য কাহিনীও মনে করতে পারেন। কেননা আমি যা লিখছি অনেক টা বাস্তব এবং সত্য ঘটনাই লিখছি। কাহিনী টা সত্য নাকি মিথ্যা তা আপনারা পড়লে বুঝতে পারবেন আশা করি। incest


আমরা শহরে চলে আসি প্রায় ১৫ বছর আগে। আব্বা একটি ব্যাংকে চাকরী করতেন। তারপর থেকে সব কিছুই আমাদের এখানে। আমি দাখিল পাস করে কলেজে ভর্তি হই। এরপর কলেজ থেকে ভাল রেজাল্ট করি। কলেজে পড়ার সময় আসলে একরকম একটা সমস্যাই ভুগি তা হল কলেজে মাদ্রাসার ছাত্রদের অনেকটা হেলা করে সবাই। স্কুলের ছাত্র রা মনে করে মাদ্রাসার পরীক্ষা অনেক সোজা। মাদ্রাসা বোর্ড যাকে তাকে নাম্বার দিয়ে দে। তাদের ধারনা আমরা যারা মাদ্রাসাই পড়ি তারা স্কুলের ছেলেদের সাথে পড়ালেখাই পারবোনা।


মাদ্রাসার ছেলেরা বলদ টাইপের হয়। এমন সব ধারনা পোষন করে অনেক ছাত্র এবং শিক্ষক রাও। যারা মাদ্রাসা হতে কলেজে গিয়েছে তারা হয়তো আমার কথা গুলোর সাথে একমত হতে পারবে। আসলে সত্যি টা হল মাদ্রাসার ছেলেরা তুলনামূলক ভাবে এগিয়ে থাকে। তার কারন হল মাদ্রাসার ছেলেদের মধ্যে একটা সময় মেনে চলার নিয়ম থাকে। একজন মাদ্রাসার ছেলের জন্য ফজরের সময় ঘুম থেকে উঠে পড়তে বসা কোন ব্যাপার না। এবং মাদ্রাসার ছেলেরা অনেক কিছু এড়িয়ে চলে সুপথে থাকার চেষ্টা করে। incest


আমি যে কলেজে পড়তাম তখন ভাল বন্ধু বলতে তেমন কেউরে পায়নি। আমিও তেমন বন্ধু পাগল ছেলে নই। যার কারনে আমি আমার মত পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকতে পারতাম। তো এরপর ভাল রেজাল্ট করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হলাম। আমি যে ভার্সিটি তে পড়েছিলাম সেটি তখন নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয়। অবশ্য ভার্সিটিতে এসে বেশ ভাল কজন বন্ধু পেয়েছি।


ভার্সিটি থেকে আমার বাসার দূরত্ব বলতে গেলে তেমন বেশী না। বাসে করে বড়জোড় দেড় দুই ঘন্টার রাস্তা। কিন্তুু আমি বছরে দু এক বারের বেশী বাসাই যায় না। কেননা টিউশন ফেলে কোথাও যাওয়ার সেই সুযোগ টা নেই। আমি অবশ্য টিউশন করে ভাল টাকা ইনকাম করেছি সেই সময় টাতে। আমি ভার্সিটি ভর্তি হওয়ার কয়েক মাস পর থেকে আর ঘর থেকে আর টাকা পাঠাতে হয়নি। আমার সব খরচ আমার ইনকাম দিয়ে হয়ে যেত এবং আরো টাকা সঞ্চয় করেছি।


এবার মূল কাহিনী টা শুরু করি। সময় টা ২০১২ সালের দিকে হবে। আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। আমার নাম টা বলা হয়নি, আমি ফয়সাল। আমার পরিবারে সদস্য সংখ্যা চারজন। আব্বা,আম্মা আর আমার ছোট বোন ফারজানা। ফারজানা এবার দাখিল(এসএসসি) পাস করে মহিলা মাদ্রাসাই ভর্তি হয়েছে। আম্মা চেয়েছিল ফারজানা কেও আমার মত কলেজে ভর্তি করাতে। কিন্তুু আব্বার কথা ফারজানা কে মাদ্রাসাতেই পড়াবে। incest


আব্বার মতামত হল তার মেয়ে কলেজে গেলে অন্য ছেলেমেয়ে দের সাথে মিশে উঠতে পারবেনা। কলেজে মেয়েদের জন্য তেমন সুবিধা নেই। এবং কলেজে ছেলেরা নাকি অভদ্র হয়। তাই ফারজানা কে মাদ্রাসা তে ভর্তি করা হল। আসলে আমিও মনে করি ফারজানা কলেজে ছেলেমেয়ে দের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারবেনা, কারন ফারজানা অন্য দশজন মেয়ের মত অত চালাক চতুর নয়। সে অসম্ভব শান্ত এবং একদম চুপচাপ স্বভাবের মেয়ে। তাই তার জন্য মাদ্রাসাই ভাল।


সেইবার ঈদে আমি বাসাই গেলাম যথারীতি অনেক দিন পরে। ২০ রোজাতে আমি বাসাই গিয়ে পৌঁছাই অনেক টা আম্মার অনুরোধে। বাসাই গিয়ে দেখি আব্বার হার্টের সমস্যা টা আবার বেড়ে গেছে। পাঁচ মাস আগে আব্বা আম্মা ইন্ডিয়া থেকে চিকিৎসা করে এসেছে। তখন ডাক্তার বলেছিল তিন মাস পর আবার গিয়ে চেক আপ করিয়ে আসতে। কিন্তুু আব্বার দাবী তিনি সুস্থ হয়ে গেছেন। তার আর ইন্ডিয়া যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তুু হঠাৎ করে রোজার সপ্তাহ খানেক পর থেকে নাকি হার্টের সমস্যা টা অনেক বেড়ে গেছে। incest


এবং তিনি কথা টা আম্মাকেও বলেন নি। অতএব আবারো আমি সব কিছু তাড়াতাড়ি ম্যানেজ করা শুরু করে আব্বাকে ইন্ডিয়া পাঠানোর ব্যবস্থা করলাম। এবার আম্মা আব্বার সাথে ফুফা ফুফি দুজনই নাকি ডাক্তার দেখাতে যেতে চাচ্ছে। ফুফির শ্বাস কষ্টের সমস্যা, তিনিও যাবেন। তাদের দুজনের ডকুমেন্টস সব জোগাড় করে সব কিছু ম্যানেজ করলাম। কেননা দুদিন পরেই সব ঈদের ছুটিতে বন্ধ হয়ে যাবে।


সব কিছু রেডি করার পর আব্বাদের যাওয়ার তারিখ ফিক্সড হল ঈদের পাঁচদিন পরে। অর্থাৎ ঈদের ছয় তম দিনে আব্বারা ইন্ডিয়ার উদ্দেশ্য রওনা দিবেন।


এতদিন ধরে বিভিন্ন কাজের চাপে আমি কোন ধরনের ঈদের কেনাকাটা করতে পারিনি। বলতে গেলে সময় এবং ইচ্ছে কোনটাই হয়ে উঠেনি। চাঁদ রাতের দিন ফারজানা দেখি আমার রুমে এসে একটা প্যাকেট দিয়ে বললো ভাইয়া এটা পরে দেখো। আমি ফারজানা কে জিজ্ঞাসা করলাম এটা কি? ফারজানা উত্তর দিল আম্মা আর সে নাকি মার্কেটে গেছিল। তখন আমার জন্য পাঞ্জাবী টা কিনছে।


আমি বের করে দেখি একটা সাদা পাঞ্জাবী। পাঞ্জাবী টা রেখে দিতে চাইলে ফারজানা এক প্রকার পরতে বাধ্য করলো। পাঞ্জাবী টা নাকি সে চয়েস করেছে। আমি পরে তাকে দেখালাম তার কথা পাঞ্জাবীটা আমাকে ভাল মানিয়েছে।পাঞ্জাবী টা আমারো পছন্দ হয়ছে, বলতেই হয় ফারজানার চয়েস আছে। incest


তারপর ঈদের নামাজ পড়ে বাসাই এসে খাওয়া দাওয়া করে আমি গেলাম ফুফুদের বাড়ীতে। ফুফুদের সব ডকুমেন্টস বুঝিয়ে দিয়ে পরদিন চলে আসলাম। বাসাই ফিরে দেখি ফারজানার এক বান্ধবী বেড়াতে এসেছে। একটু পরে দেখি সে ফারজানা কে তাদের বাসাই নিয়ে যাওয়ার জন্য আম্মাকে অনুরোধ করছে।


কিন্তুু আম্মা কোন ভাবেই ফারজানা কে যেতে দিবেনা। তার বান্ধবী দেখি খুব জোড়াজুড়ি করে আম্মাকে রাজী করিয়েছে। আম্মা বলেছে ফারজানা কে তাড়াতাড়ি চলে আসতে।


ফারজানা তার বান্ধবীর বাসাই বেড়াতে যাওয়ার ঘন্টা খানেক পর আম্মা আমাকে তার বান্ধবীর বাসাই গিয়ে ফারজানা কে নিয়ে আসতে বলছে। আমি বললাম সে বেড়াতে যখন গেছে তো কিছুক্ষন সেখানে বেড়াক। আম্মার কথা মেয়েদের বেশী বেড়াতে হয় না। আমি এরপর ফারজানা কে আনতে তার বান্ধবীর বাসাই গেলাম। তার বান্ধবীর বাসা বলতে গেলে দূর আছে। ফারজানা একা আসতে পারতোনা। incest


তারপর ফারজানা কে সেখান থেকে রিকশাতে উঠতেই দেখি ফারজানা কোন কথা বলছেনা। একদম রাগ করে আছে। আমি কারন জিজ্ঞাসা করাই সে বললো সে নাকি মেয়ে হয়ে অপরাধ করেছে। আম্মা আব্বা তাকে কোথাও যেতে দে না। এমন কি মাদ্রাসা থেকে আম্মা আনা নেওয়া করে। তার বান্ধবীরা নাকি এর জন্য হাসাহাসি করে।


ওর বান্ধবীদের নাকি মোবাইল আছে, আর ফারজানা কে নাকি মোবাইল ধরতেই দে না। এটা সত্যি আম্মা আব্বা তাকে খুব চাপে রাখে। আম্মা আব্বার কথা হল তাদের এখানে কোন আত্বীয় স্বজন নাই। মেয়ে যদি কোন বিপদ করে ফেলে তখন সামলানোর মত কেউ থাকবেনা। আব্বার দাবী কোন কিছু হলে চাচার পরিবার হাসাহাসি করবে মানুষ কে বলে বেড়াবে।


ফারজানার সাথে রিকশা করে কথা বলে বলে আসছি, কিন্তুু রাস্তাঘাট খুব খারাপ। রিকশা টা একটু পরপর গর্তে পড়ছিল। আর আমরা দুজন বারবার ধাক্কা খাচ্ছিলাম। ফারজানা বোরকা হিজাব পরা আছে। একসময় আমি খেয়াল করলাম যে তার দুধ আমার কনুইতে হালকা ধাক্কা খাচ্ছে। আমি এটা বুঝতে পেরে হাত টা সরিয়ে নি। আমাদের এখানে একটা পার্কের মত আছে, সেখানে চটপটি ফুসকা বিক্রি হচ্ছিলো। ফারজানা ফুসকা খাওয়ানোর জন্য অনুরোধ করলে তাকে ফুসকা খাওয়াতে নিয়ে গেলাম। incest sex


তখন এক প্লেট ফুসকা ছিল ১৫ টাকা। আমিও খেলাম কিন্তুু ফারজানা দেখি ৩০ টাকা দিয়ে দিল। আমি বললাম তুই টাকা দিলে আমি বেশী করে খেতাম। পাশেই নাগরদোলা ছিল, ফারজানা আমাকে জোড় করলো নাগরদোলাই তুললো। ভাইবোন দুজনে উঠে গেলাম নাগরদোলাতে। এই নাগরদোলা টা ইলেক্ট্রিকের, খাঁচার মত বক্সের ভিতরে চেয়ার গুলা।


তাই এগুলা খুব জোড়ে চলে। আমি আগে কখনো চড়েনি। আমারও ভয় লাগছিলো, ফারজানা দেখি দুই চোখ বন্ধ করে আমার বাম হাত টা চেপে ধরে মুখ নিচু করে বসে আছে। আর আমার হাত টা তার দুধের সাথে চেপে আছে। আমি বুঝতে পারলাম যে ফারজানার দুধগুলো তেমন ছোট নয়। ফারজানা বোরকা, পর্দা করে বলে বুঝা যায় না।


নাগর দোলা থেকে নেমে আবার রিকশা নিয়ে বাসাই চলে এলাম। ফারজানা দেখি অনেক খুশী। কিন্তুু তার অনুরোধ আম্মাকে যাতে না বলি। কারন আম্মা যদি জানে সে বাইরে ঘুরছে তাকে বকা দিবে। আর আব্বা কে বললে আব্বা রাগ করবে। যথারীতি ঈদের দ্বিতীয় দিন টা শেষ। incest


আর আমার বাসাই আসলে মোটেও সময় কাটেনা। কারন এখানে যে কজন বন্ধু ছিল তাদের সাথে আগের মত সম্পর্ক নেই। তাই কোথাও যাওয়া হয় না। রাতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে ঘুমানোর আগে বাথরুমে গেলাম। বাথরুমের স্ট্যান্ডে দেখি ফারজানার আজকের বোরকা জামা কাপড় সব রাখা। আমার মাথাই শয়তানি বুদ্ধি আসলো।


ফারজানার জামা কাপড় সব নেড়েছেড়ে দেখি তার মধ্যে একটা কালো ব্রা। ব্রা টা যে হালকা ঘামে ভেজা তা বুঝতে পারছি। সেটা হাতে নিয়ে ভাবলাম যে এই ব্রা টা পরে ফারজানা আজ সারাদিন ঘুরেছে। এদিকে আমার ধন মহাশয় দেখিয়ে দাঁড়িয়ে গেছে। ব্রা টা ধনে লাগিয়ে খেঁচা শুরু করে দিলাম। কতক্ষন খেঁচার পর মাল আউট করে সব কিছু আবার আগের মত করে রেখে রুমে এসে শুয়ে পরলাম।


তখন আমার শুধু ফারজানার কথা মনে পড়ছিলো। ফারজানা বয়স ১৭ বছর মত হবে। এবার মাত্র দাখিল(এসএসসি) শেষ করেছে। ফারজানার গায়ের রং শ্যামলা, গোলগাল মুখ, উচ্চতা পাঁচ ফুট তিন ইঞ্চি মত হবে। তার ফিগার আগে কখনো ভাল ভাবে দেখা হয়নি। তবে তার দুধ ৩২ সাইজ হবে। বোরকা পরে বলে বুঝা যায় না। ফারজানা খুব বেশী সুন্দরী না হলেও দেখতে খারাপ না। সে ঘরের সব কাজ একা করে। incest


পরদিন ঘুম থেকে আম্মা ডেকে দিল, আর কিছু টিফিন বক্স ধরিয়ে দিয়ে ফুফুর বাসাই পাঠিয়ে দিল। কথা হল আসার সময় ফুফা ফুফি দুজন কে নিয়ে আসবো। দেখতে দেখতে আব্বাদের যাওয়ার সময় ঘনিয়ে আসছে। আবার আমারও ভার্সিটি খুলবে কদিন পরে।


ফুফা ফুফি কে পর দিন নিয়ে বাসাই চলে আসলাম। এখন যেহেতু তাদের ইন্ডিয়া থেকে আসতে মিনিমাম পনেরো,বিশ দিন লাগবে। আমারো ভার্সিটি চলে যেতে হবে। এখন ফারজানা কে কোথাই পাঠাবে আম্মারা তা চিন্তা করতে লাগলো। গতবার ফুফাতো বোনের বাসাই রেখে গেছিলো ফারজানা কে। তাই এবারো তাকে সেখানে পাঠিয়ে দিবে।


দুদিন পরেই আব্বাদের ইন্ডিয়া যাওয়ার সময় হয়ে গেল। সকালে কাউন্টারে গিয়ে আমি আর ফারজানা তাদের বিদায় দিয়ে আসলাম। পরদিন আবার ফারজানা কে ফুফাতো বোনের বাড়ীতে পৌঁছিয়ে দিতে হবে। বাসাই এসে ফারজানা রান্না করে খেতে দিল। তারপর খেয়ে ঘুমাতে গেলাম। ফারজানা কে ব্যাগ গুছিয়ে রাখতে বলেছি। incest


পরদিন সকালে ফারজানা কে নিয়ে ফুফাতো বোনের বাড়ীতে যাওয়ার জন্য গাড়ীতে উঠি। ফুফাতো বোনের বাড়ী আমাদের দূরেই বলা যায়। দু তিন ঘন্টা লাগে যেতে। ফুফাতো বোনের বাড়ী যেতে ছোট একটা নদী পার হতে হয়। আমি চাইছিলাম ফুফাতো বোন কে নিতে আসতে বলবো। আপা কে কল দেওয়ার পর আপা বললো তারা নাকি বাসাই কেউ নেই সবাই ঈদের ছুটিতে বেড়াতে গেছে কোন একটা জায়গাই। আর ফারজানা যে আজ আসবে সেটা নাকি আপাকে কেউ জানায় নাই।


কি আর করার ফারজানা কে নিয়ে আবার বাস কাউন্টারে চলে আসলাম। টিকেট করতে যাওয়ার সময় খেয়াল করলাম ফারজানার ব্যাগ নেই। ফারজানা কে জিজ্ঞাসা করতেই সে দেখি হতবাক হয়ে গেছে। ফারজানা বলছে ব্যাগ টা একটু আগেও সে এখানে দেখেছিল। এখন আর নাই।


অনেক খুঁজে দেখলাম কোথাও পেলাম না। ফারজানা দেখি একদম মন খারাপ করে বসে আছে। আমি ফারজানা কে মন খারাপ দেখে বললাম কিরে মন খারাপ করে বসে থাকলে হবে? ফারজানা বললো ভাইয়া ব্যাগ যে হারাইছি সেটার জন্য আম্মা তো বকা দিবে আর এখন আমি কি করবো। incest


আমি বললাম আরে বোকা মেয়ে মন খারাপ করে কি লাভ। মাথাই একটা বুদ্ধি আসলো, ফারজানা কে বললাম এই বোন একটা কাজ করা যায় কিন্তুু। ফারজানা মাথা নেড়ে জানতে চাইলো কি কাজ? বললাম বোন তুই তো কোথাও বেড়াতে যেতে পারিস না। যাবি নাকি একটা জায়গাই বেড়াতে?

ফারজানা বললো কোথায়?

আমি বললাম এখান থেকে কিছু দূর গেলেই একটা জায়গা আছে পার্বত্য এলাকা সেটা কাছেই ( জায়গা টির নাম বললাম না)।


ফারজানা বললো ভাইয়া প্রথমত আমার কোন কাপড় চোপড় নেই। আর অন্য কোথাও বেড়াতে গেছি এটা যদি আম্মা জানতে পারে তাইলে কিন্তুু আমাকে বকা দিবে।


আমি বললাম আরে দুদিন থেকেই চলে আসা যাবে। আম্মা জানবে কেন? আর তুই যদি না যেতে চাস তাহলে বাদ দে,চল বাসাই ফিরে যায়।


একটু পর দেখি ফারজানা বলে না ভাইয়া বাসাই না। চল সেখানে বেড়াতে চলে যায়। কিন্তুু আমি কি শুধু এই বোরকা টা আর এক জামা পড়ে যেতে পারবো? incest sex


আসলে তাইতো, চল বোন তোকে আগে কিছু জামা কাপড় কিনে দি। ঈদের বন্ধ তাই দোকান পাট তেমন খোলা নেই। একটা দোকানে ডুকে ফারজানা দু তিন টা জামা কিনলো। আর দোকানের ছেলেটা একটা শাড়ী বের করে আমাকে দেখিয়ে বললো ভাই এই শাড়ীটা ভাবী কে খুব মানাবে। দাম কম রাখবো। ফারজানা কে বলে ভাবী শাড়ী টা নেন ভাল লাগবে আপনাকে। এদিকে ভাবী ডাক শুনে ফারজানা লজ্জায় চুপ করে আছে। দোকান দার বলে ভাই নিয়ে নেন বলে জোড় করে শাড়ী টাও দিয়ে দিল।


–ফারজানা উঠে আমাকে বলে ভাইয়া আমি শাড়ী পরবো কেমনে?


–আমি বললাম কেন পড়তে পারিস না নাকি?


–ফারজানা বলে ভাইয়া শাড়ী পড়ার জন্য অনেক কিছু লাগে এসব তো আমার নাই।


–আমি বললাম সমস্যা নাই কিনে নে।


ফারজানা বললো এসব এই দোকানে পাওয়া যাবেনা। দোকান দার কে বললো সব প্যাকেট রাখতে। তারপর ফারজানা পাশ অন্য একটা দোকানে গেল। আমি অবশ্য কাপড়ের দোকানেই বসে ছিলাম। ফারজানা সে দোকান থেকে অনেক কিছু কিনে বের হয়ে আসলো। incest


তারপর কাপড়ের দোকান থেকে কাপড়ের ব্যাগ গুলো নিয়ে আমরা দুজন আবার কাউন্টারে চলে গেলাম। এসব করতে করতে প্রায় দুপুর শেষ হয়ে গেল।আমি আর ফারজানা কিছু হালকা নাশতা করে, তারপর পার্বত্য এলাকার বাস ধরে রওনা দিলাম। সেখানে পৌঁছাতে পৌঁছাতে প্রায় সন্ধ্যা হয়ে আসছিলো।


হঠাৎ দেখি এক জায়গাই গাড়ী থেমে গেল। গাড়ীতে কয়েকজন পুলিশ উঠে গাড়ী চেক করা শুরু করলো। একটু পর আমাদের কাছে এসে বলে গাড়ী থেকে নামতে। আমাদের সাথে আরো একটা কাপল কে বললো নেমে চেক পোষ্টের ভিতর ঢুকতে। সত্যি বলতে তখন আমি ভয় পেয়ে গেছি। ফারজানাও দেখি ভয়ে চুপষে গেছে।


চেকপোষ্টে ঢুকার পর প্রথমে অন্য কাপল টাকে জিজ্ঞাসা করা শুরু করলো। তারা কি বিবাহিত কিনা, তাদের পরিচয় পত্র আছে কিনা এসব জানতে চাইলো। লোকটা তাদের পরিচয় পত্র দেখালে তাদের গাড়ীতে উঠে যেতে বললো। এরপর আমাকে এসে জিজ্ঞাসা করা শুরু করলো আমরা বিবাহিত কিনা। incest sex


আমাদের পরিচয় পত্র দেখাতে বললো। কিন্তুু আমার এবং ফারজানার কারো পরিচয় পত্র নেই।

আমি তখন পুরোপুরি নার্ভাস হয়ে গেছি। ফারজানা যে আমার বোন সেটাও বলা যাচ্ছে না কেননা তখন আরো ঝামেলা করবে এই নিয়ে যে ভাইবোন একা কেন এখানে বেড়াতে আসছে তা নিয়ে।


আমি বললাম আমাদের পরিচয় পত্র আনতে মনে নেই। অফিসার টা আমাকে ধমক দিয়ে একটা খারাপ কথা বললো। মেয়ে নিয়ে মজা করতে আসছস এখানে? সে ফারজানা কে নেকাব খুলতে বললো। আর বয়স্ক একজন পুলিশ ব্যাগ চেক করা শুরু করলো। ফারজানা নেকাব খুলার পর অফিসার দেখলো ফারজানা কান্না করছে।


সাথে সাথে অন্যজন যে ব্যাগ চেক করছিলো সে বলে উঠলো স্যার এরা ঠিক আছে, নতুন বিয়ে করছে হয়তো স্যার। এদের যেতে দেন। এরপর সে হেসে আমাকে বললো ভাই নতুন বিয়ে করছেন সেটা বললে তো হয়ে যেত। এত কথা বলতে হত না। বিয়ে করছেন সেটা বলতে এত লজ্জা পেলে তো আর হয় না। গাড়ীতে উঠে যান কিছু মনে করবেন না। এটাই আমাদের কাজ। incest


ফারজানা তখনো ফুপিয়ে কাঁদছিলো সে অনেক ভয় পেয়ে গেছে। কারন সে প্রথম বার এমন পরিস্থিতিতে পড়ছে। আর সে অনেক শান্ত স্বভাবের তাই হয়তো ভয়টা বেশী পেয়েছে। গাড়ীতে উঠার সময় অন্য যে কাপল টা আমাদের সাথে নামছিল সে লোকটা আমাকে ডেকে বললো ভাই আপনি কি আগে এসব জায়গাতে বেড়াতে আসেন নাই? আমি বললাম না ভাই, প্রথমবার যাচ্ছি।


তখন লোকটা বললো শুনেন এইসব জায়গাই বেড়াতে আসলে সাথে বোরকা,নেকাব পড়া মহিলা থাকলে এরা বেশী সন্দেহ করে। এরা বোরকা পড়া মহিলাদের বেশী চেক করে। কারন এই রোড গুলা দিয়ে অবৈধ জিনিষ পাচার হয়। আর কাপল দেখলে বেশী সন্দেহ করে কারন উঠতি ছেলেরা মেয়ে নিয়ে ঘুরতে চলে আসে তাই।


আমি চিন্তা করে দেখলাম ব্যাপার টা আসলেই সত্যি। এরপর গাড়ীতে উঠতেই ফারজানা আমাকে বলতে শুরু করলো ভাইয়া তুমি বললে না কেন আমরা ভাইবোন, আমরা বিবাহিত হব কেন? তুমি চুপ করে ছিলে কেন? তখন আমি ফারজানা কে বললাম যদি তাদের বলতাম যে আমরা ভাইবোন তখন অবস্থা টা কি হত ভেবে দেখেছিস। তারা বলতো ভাইবোন এক সাথে কেন আসছি। incest sex


কত ঝামেলা হত বুঝতে পারছিস। একেতো এইটা পার্বত্য এলাকা। তখন ফারজানা বললো হ্যাঁ সেটা ঠিক বলেছো। জানো ভাইয়া আমি কিন্তুু অনেক ভয় পেয়েছি। আমি ফারজানা কে বললাম যে তুই বোরকা পরেছিস তাই তাই এরা একটু বেশী প্রশ্ন করেছে। আর আমরা দুজন কম বয়সী তাই এরা এমন করছে।


তখন ফারজানা বললো, হ্যাঁ ভাইয়া তুমি ভাগ্যিস আগে কিছু বল নাই। আর ঐ কাপল টাকে কোন প্রশ্ন করে নাই। আল্লাহ ইজ্জত বাঁচাইছে।


আমরা কিছুক্ষণ পরেই পৌঁছে গেলাম। গাড়ী থেকে নামার পর সন্ধ্যা হয়ে গেছে। এখন হোটেল খুঁজতে হবে। একটা হোটেলে গেলাম তারা বললো কাপল দের পরিচয় দিতে হবে নয়তো রুম দেয়া যাবে না। এদিকে ফারজানা বলে দুই রুমের হোটেল নিতে। কিন্তুু কাপল দের হোটেল এক রুম দে।


ফারজানা কে বললাম বোন এখানে বিবাহিতদের রুম দিবে। পরিচয় পত্র দিতে হবে। ফারজানা তখন বলে এখন কি হবে আমরা তো আর কাপল নয়। এরপর দুয়েক টা হোটেল দেখলাম সব গুলো এক কথা বলে। তারপর ফারজানা হেসে বললো ভাইয়া দোকানদার থেকে চেকপোষ্ট সবখানে তো আমাদের বিবাহিত মনে করছে। এখানেও নাহয় বিবাহিত বলে অন্তত রুম টা নিতে পারো কিনা দেখ। সকাল থেকে জার্নি করে খুব টায়ার্ড লাগছে। incest


এরপর একটা হোটেলে গিয়ে স্বামী স্ত্রীর জায়গাই আমার আর ফারজানার নাম লিখে রুম টা নিয়ে নিলাম। ঈদের ছুটি শেষের দিকে তাই হোটেল রুম খালি হয়ে যাচ্ছে। সেজন্য এই হোটেলে তেমন কিছু চাই নাই।


যে রুম টা আমরা নিছি সেটাতে দুইটা খাট, একটা তে আমি আর একটা তে ফারজানা। সারাদিন তেমন কিছু না খাওয়ার জন্য প্রচন্ড ক্ষুদা লেগেছে। ফারজানা কে বললাম রেডী হয়ে নিতে খেতে যাবো। কিন্তুু ফারজানা আর বের হতে চাইলো না। সে বললো ভাইয়া তুমি কিছু নিয়ে আসো আমার খুব ক্লান্ত লাগছে। আমি বাথরুমে ডুকে ফ্রেশ হয়ে নিলাম।


তারপর ফারজানা কে বললাম ফ্রেশ হয়ে নিতে। আমি খাবার আনতে গেলাম। খাবার নিয়ে এসে দেখি ফারজানা ঘুমিয়ে গেছে। তাকে আবার ডেকে তুললাম। দুজন খেয়ে নিলাম। ফারজানা বললো আগামী কাল তাকে কোথাই বেড়াতে নিয়ে যাবো? আমি বললাম দেখি কোথাই যাওয়া যায়। বলে শুয়ে পড়লাম। খুবই টায়ার্ড লাগছিল। incest


ফারজানাও ঘুমিয়ে গেছে। রাতে উঠে আমি বাথরুমে গেলাম। বাথরুমে ঢুকেই দেখি ফারজানার জামা কাপড় সব স্ট্যান্ডে রাখা। আমি আবারো তার জামা কাপড় ঘেটে দেখলাম। আজ দেখি একটা গোলাপী ব্রা। ব্রা টা সেদিনের চেয়ে আজ বেশী ঘামে ভেজা মনে হল। ব্রা টা থেকে ফারজানার গায়ের গন্ধ আসছিল। এদিকে আবারো ধন ফুলে গেছে। ব্রা টা ধনের মধ্যে ঘষে ঘষে ধন খেঁচা শুরু করে দিলাম। কতক্ষন পর মাল আউট করে। আবার খাটে এসে শুয়ে পড়লাম।


ফারাজানা একটা জামা পড়ে আমার পাশের খাটে শুয়ে আছে। আমি ফারজানা কে ভাল করে দেখলাম। তারা পাছা টা একদম গোল। দুধ গুলো জামা ফেটে বের হয়ে যাবে মনে হচ্ছে। ফারজানা কে দেখতে দেখতেই এক সময় ঘুমিয়ে পড়লাম।


পরদিন সকালে ফারজানা ঘুম থেকে ডেকে দিল। ঘুম থেকে উঠে ফ্রেশ হয়ে নাশতা খেতে যাওয়ার জন্য বের হব। ফারজানা দেখি শুধু থ্রী পিস পরে বের হয়ে গেল। আমি বললাম কিরে বোন তুই বোরকা পরিস নাই কেন.?


তখন ফারজানা হেসে বললো ভাইয়া এখন আর কেউ কোন সন্দেহ করবে না। কিছু জানতেও চাইবেনা। আর এখানে তো আমাদের কেউ চিনেনা। তাই বোরকা না পরলে কোন সমস্যা হবেনা। আর সবাই আমাকে তোমার বৌ মনে করবে। এই বলে হাসতে লাগলো। incest


আমি বললাম দূর বলিস কি এসব। দুজনে হাসতে লাগলাম। তারপর নাশতা করে একটা জায়গাই ঘুরতে ঘেলাম। জায়গা টাতে গিয়ে ফারজানা অনেক খুশী কারন সে প্রথম কোন সুন্দর জায়গায় ঘুরতে আসছে। এরপর আমরা বৌদ্ধ মন্দিরে গিয়ে ঘুরলাম। এবং ফারজানা আর আমি কিছু ছবি তুললাম। তখন একটি নোকিয়া মোবাইল ছিল আমার। মোবাইল টাতে ভাল ছবি উঠতো।


এরপর দুপুরের খাবার খেয়ে একেবারে রুমে চলে গেলাম। রুমে গিয়ে কিছুক্ষন বিশ্রাম নিলাম। আমি ঘুমিয়ে পড়লে ফারজানা আমাকে ডেকে দে। আমাকে সে জিজ্ঞাসা করে ভাইয়া শাড়ী তো নিছি একটা। কিন্তুু এখন দেখি এখানে শাড়ী দুইটা। এই লাল শাড়ী টা এখানে আসলো কিভাবে? আমি তখন ফারজানা কে বললাম আমি তোকে বলতে ভুলে গেছি।


তুই যখন অন্য দোকানে গিয়ে কেনাকাটা করছিলি তখন আমি শাড়ীর দোকানে বসে ছিলাম। দোকানদার আমাকে বলে ভাই আপনাকে আর একটা শাড়ী দেখাই। শাড়ী টা আপনি ভাবী কে গিফট করিয়েন।দেখবেন ভাবী খুব খুশী হবে। আমি অনেক না নিতে চাইছি। কিন্তুু দোকানদার টা জোড় করে শাড়ীটা দিছে। incest


ফারজানা শুনেই হাসতে লাগলো। আর বললো ভাইয়া ঠিক আছে শাড়ী টা তুমি তোমার বৌ এর জন্য রেখে দাও। বিয়ের পর ভাবীকে গিফট করিও। ভাবী তখন খুশী হবে। ফারজানা বলে এমন শাড়ী গুলো নতুন বৌ রা পড়ে। শাড়ীটা কিন্তুু সুন্দর আছে ভাইয়া ভাবীর জন্য রেখে দিও।


ফারজানা বললো ভাইয়া কোথাও ঘুরতে যাবেনা? আমি বললাম কিছু সুন্দর জায়গা আছে সেগুলা এখান থেকে অনেক দূরে। সেখানে তো যাওয়া সম্ভব নয়। তারপর ফারজানা বলে ভাইয়া কাল তো চলে যেতে হবে। এত সুন্দর জায়গা ইচ্ছে করছে আরো কয়দিন এখানে থেকে যায়। এরপর ফারজানা কে বললাম রেডী হতে, কাছে একটা লেক আছে সেখানে ঘুরতে যাবো।


ফারজানা কিছুক্ষন পর একটা সবুজ রঙের শাড়ী এলোমেলো ভাবে পরে বাথরুম থেকে বের হল। বের হয়েই বলে ভাইয়া শাড়ীর কুচি ধরে দাও না। শাড়ী টা পড়তে পারছিনা। আমি উঠে আবার তাকে কুচি ধরে দিলাম। সে দেখি আবার সাজতে বসলো। আবার আমাকে ডেকে জিজ্ঞাসা করে ভাইয়া আমাকে কেমন লাগছে? incest


আমি খেয়াল করে দেখলাম ফারজানা কে খুব সুন্দর লাগছে। ফারজানা কে সববসময় বোরকা পরা এমনি কি ঘরেও পর্দাসহ দেখছি, আজ প্রথম শাড়ী পরা দেখে তাকে খুব সুন্দর লাগছে। ফারজানা বললো ভাইয়া এই প্রথম বোরকা ছাড়া বাইরে যাচ্ছি তাও আবার শাড়ী পরে।


হোটেল থেকে বের হওয়ার সময় চাবি জমা দিতে গেলাম ফারজানা পাশে দাঁড়ানো। হোটেলের ম্যানেজার ফারজানা কে ভাবী ডেকে সালাম দিল আর জিজ্ঞাসা করলো কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা। ফারজানা উত্তর দিল আপনার ভাইয়া আছে সাথে কোন সমস্যা হচ্ছেনা। এই বলে হেসে আমাকে বললো এই তুমি কি এখানে দাড়াই থাকবে নাকি? আসো দেরী হয়ে যাচ্ছে।


– কিরে ফারজানা তুই ম্যানেজার কে এভাবে বললি কেন?


– ভাইয়া তুমি কিছু বুঝনা নাকি? ভাইবোন একটা রুমে থাকতেছে সেটা জানতে পারলে কি হবে বুঝতে পারছো?


– হ্যাঁ রে বোন, অনেক ঝামেলা হয়ে যাবে।


– জানো ভাইয়া, মানুষ জন যে আমাকে ভাবী ডাকছে সেটা কিন্তুু একদিকে ভালই লাগছে। incest sex


– কেন রে বোন?


– কারন আমি নিশ্চিন্তে তোমার সাথে ঘুরতে পারছি। কোন ভয় নেই এখানে। জানো ভাইয়া তুমি তো ঘরে থাকোনা। আম্মা আব্বা আমাকে খুব চাপে রাখে। আমাকে কোথাও যেতে দে না।


– ওহ তাই বুঝি বোন। আচ্ছা কোন সমস্যা নেই। এখন অন্তত আনন্দ কর।


কিছুক্ষন পর আমরা লেকের পাড়ে চলে আসলাম। লেকের পাড়ে কিছু ছোট প্যাডেল বোট আছে। ফারজানা বোটে চড়তে চাইলো।আমি আর ফারজানা একটা বোট নিয়ে দুজনে চালালাম। ফারজানা শাড়ী পরার কারনে ভাল মত প্যাডেল চালাতে পারছিল না। ফারজানা তখন বিরক্ত হয়ে বলে, সে আর শাড়ী পরবে না। শাড়ী পরলে নাকি অনেক ঝামেলা।


বোট থেকে নামার সময় দেখি দুই একজন ফারজানার দিকে তাকাই আছে। দু একবার খেয়াল করলাম যে তারা বারবার ফারজানার দিকে তাকাচ্ছে। হঠাৎ আমিও খেয়াল করলাম যে ফারজানার ব্লাউস টা ঠিক মত পরেনি। ব্লাউসের পিছন দিকে ব্রার ফিতা গুলা দেখা যাচ্ছে। এখন সেটা আমার ফারজানা কে বলতে লজ্জাও করছে। শত হলেও তো ছোট বোন হুট করে তো এসব বলা যায়না। incest


সেবার ঈদ ছিল একদম বর্ষা কালে। পাহাড়ে এমনেতেও বৃষ্টি লেগে থাকে। একটু পর গুড়িগুড়ি বৃষ্টি পরা শুরু হলে। আমি আর ফারজানা লেকের পাড়ে কিছু ছাউনী আছে সেখানে গিয়ে দাড়ালাম। এদিকে ফারজানার কোন খেয়াল নেই যে তার ব্রা দেখা যাচ্ছে। যেহেতু মানুষজন দেখবে তাই ফারজানা কে বলতে বাধ্য হলাম।


– বোন তোর ব্লাউজ টা ঠিক কর।

– কেন ভাইয়া কি হয়েছে?

– আরে তোকে ঠিক করতে বলছি ঠিক কর।

– ফারজানা দেখি ব্লাউস টা একটু টেনে দিল উপরে।

– এই কি করিস? তোকে কি ঠিক করতে বলছি বুঝস না?


– ভাইয়া কি ঠিক করতাম তুমি সেটা তো বল।

– তুই ব্লাউসের ভিতরে যেটা পরছস সেটা দেখা যাচ্ছে। সেটা ঠিক কর।

– তার মানে কি ভাইয়া আমার ব্রা দেখা যাচ্ছে নাকি?

– হ্যাঁ, সেটা ঠিক কর।


–ভাইয়া দোকান থেকে কেনা রেডীমেড ব্লাউস তাই পরার সাথেসাথে লুস হয়ে গেছে। রেডীমেড ব্লাউস পরা যায়না। দেখতো এখন দেখা যাচ্ছে কিনা?

– হ্যাঁ রে এখনো দেখা যাচ্ছে।

– আমার সেফটি পিন ছিল না ভাইয়া তাই ঠিক করে পরতে পারিনি। তুমি এক কাজ করো, ফিতা গুলা ব্লাউসের কাপড়ের মধ্য টেনে দাও। incest


– আর দূর কি বলিস আমি পারবোনা। তুই কর।

– ভাইয়া আমি পারলে তো আর তোমাকে করে দিতে বলতাম না। আচ্ছা ঠিক আছে দিওনা মানুষ দেখুক।

– আচ্ছা দাড়া করে দিচ্ছি।

– হ্যাঁ ভাইয়া এখন ঠিক আছে তো?

– হ্যাঁ বোন ঠিক আছে।


– ভাইয়া তুমি এত লজ্জা পাচ্ছো কেন? এখানে তো সবাই বুঝতেছে আমরা স্বামী স্ত্রী। তাই তোমার থেকে সব ঠিক করে দিতে হবে। হোটেল ম্যানেজার আমাকে ভাবী ডাকছে তখন তুমি হাসছো কেন ভাইয়া?

– তুই আমার বোন তাই লজ্জা করে আর কি। আর আমার তো কোন প্রেমিকা নাই। তাই এসব কথা শুনে হাসি তো পাবেই।

– ভাইয়া সত্যি তোমার কোন প্রেমিকা নেই?

–নারে, আমি কখনো প্রেম করি নাই। incest sex


– জানো ভাইয়া সেদিন আমার যে বান্ধবী টা আসছে। সে প্রেম করে। তার প্রেমিকের সাথে দেখা করতে গেছে। তার ঘরে বলছে আমাদের বাসাই যাবে। তাই আমাকে জোড় করে তার বাসাই নিয়ে গেছে।

– এমন সব মেয়েদের সাথে মেলামেশা করিস না বোন।

– ভাইয়া আমি কখনো কারো সাথে প্রেম করবোনা,সেটা নিশ্চিত থাকতে পারো। ভাইয়া আমার বান্ধবীরা মোবাইলে খারাপ ভিডিও দেখে। আমাকেও দেখতে বলে। আমি কখনো দেখি নাই।


– বোন এসব মেয়ে থেকে দূরে থাকিস। আর খারাপ ছেলেদের সাথে কথা বলিস না।

– ভাইয়া তোমার মত কোন ছেলে পাইলে তখন প্রেম করবো। এর আগে নয়।

– তুই কিন্তুু অনেক কথা বলছিস ফারজানা।

– হাহাহা, ভাইয়া তুমি রাগ করছো নাকি?

– নারে, চল আজ কে আমি তোর প্রেমিক। incest


– হাহা, ভাইয়া তুমি যে কি বলো না এসব। ঠিক আছে ভাইয়া তুমি যদি আমার প্রেমিক হও তাইলে একটা কাজ করতে হবে।

– কি কাজ করতে হবে রে বোন?

– ভাইয়া দেখো সন্ধ্যা হয়ে গেছে এদিকে কোন মানুষ নেই। তুমি আমাকে কোলে করে সামনে নিয়ে যাবে।

– যাহ, পাগলী এসব বলিস কি? কেউ যদি দেখে ফেলে? আচ্ছা আয় তোকে কোলে তুলে নি।


ফারজানা কে কোলে তুলে নিয়ে একটু হেঁটে সামনে আসলাম। ফারজানার হাসির জন্য আর পারলাম না। ফারজানা কোল থেকে নেমে দেখি আমার গালে একটা কিস করে দিল। আর বললো ভাইয়া এটা আমার প্রেমিক কে দিছি বলে হাসা শুরু করলো।


হোটেলে যাওয়ার সময় একেবারে রাতের খাবার নিয়ে চলে গেলাম। এই হোটেল অবধি আসতে গুড়িগুড়ি বৃষ্টির কারনে দুজনে হালকা ভিজে গেছি। রুমে ডুকেই ফারজানা তার শাড়ীর আঁচল দিয়ে দেখি আমার মাথা মুছে দিল। আমি খাটে বসে টিভি দেখছি আর ফারজানা দেখি আমার সামনে শাড়ী টা খুলে ব্লাউস আর পেটিকোট পরা অবস্থাই জিনিষ পত্র ঠিক করা শুর করলো। incest


আমি ফারজানা কে ভালভাবে দেখছিলাম। ফারজানা একটু পরেই আবার বাথরুমে ঢুকে ফ্রেশ হয়েই বের হয়ে গেল। ফারজানা বের হওয়ার সাথে সাথে আমি বাথরুমে গিয়ে তারা রাখা কাপড়ের মধ্যে থেকে ব্রা টা নিয়েই ধন খেঁচা শুরু করে দিলাম। তার ব্রা টার গন্ধ নিতে নিতেই মাল আউট করে দিলাম।


এরপর দুজনেই টিভি দেখছিলাম। ঈদের অনুষ্টান চলছিল টিভিতে। একটুপর ফারজানা উঠে ব্যাগ গুছাতে শুরু করলো। টিভিতে তখনকার এক জনপ্রিয় অভিনেত্রী তার একটা নাটক দেখাচ্ছিল। ফারজানা বলতে লাগলো ভাইয়া এই অভিনেত্রী টার নাকি একটা খারাপ ভিডিও আছে আমার বান্ধবীদের কাছ থেকে শুনেছি। ভাইয়া সেই ভিডিও টা কি তুমি দেখছো নাকি?


আমি বললাম কি যা তা বলিস এসব ভিডিও আমি দেখি না। ফারজানা তখন বললো ভাইয়া তুমি তো এখানে আমার প্রেমিক আমাকে বলতে পারো। আমি বললাম তোকে বলে লাভ কি? তোর কি এসব দেখার শখ হয়ছে নাকি? incest


ফারজানা বললো শখ থাকলেও তো ভাইয়া আমি দেখতে পারবোনা। এই বলে ফারজানা তার ব্যাগ গুছিয়ে আমার ব্যাগ টা গুছিয়ে দিল। এরপর দুজনে রাতের খাবার খেয়ে নিলাম। ফারজানা শুয়ে পড়েছে। আর আমি টিভি দেখছিলাম। তখনকার সময় যারা মোবাইল ব্যাবহার করতো তারা জানবে। তখন সবাই দুইটা মেমোরী কার্ড ইউজ করতো। একটা তে সব সাধারন জিনিষ রাখতো। আর আরেক টাতে পর্ন ভিডিও রাখতো। আমি টিভি বন্ধ করে মোবাইলে অন্য মেমোরী কার্ড টা ঢুকালাম। আর ফারজানা কে ডাকলাম।


– কিরে বোন ঘুমাই গেছিস নাকি?

– নারে ভাইয়া এখনো ঘুম আসেনি।

– বোন কাল তো চলে যাব, তার আগে তোর শখ টা পূরন হোক।

– কি শখ ভাইয়া?


– ঐ অভিনেত্রীর ভিডিও টা দেখবি?

– ভাইয়া সেটা কি তোমার কাছে আছে নাকি?

– হ্যাঁ, দেখলে আয়।


ফারজানা দেখি আমার খাটে এসে বসলো। আর বললো ভাইয়া এসব তুমি এখন কোথায় পেলে? আমি বললাম তোর দেখতে ইচ্ছে করছে তাই ইন্টারনেট থেকে নিলাম। incest sex


– ধর বোন তুই দেখ। আমি টিভি দেখি।

– আচ্ছা ভাইয়া মোবাইল টা আমাকে দাও।

– ধর নে।

– এই ভাইয়া টিভি বন্ধ করে দাওৃ।

– কেন রে?

– ভাইয়া তুমি সহ দেখবে আসো।


ফারজানা আর আমি পাশাপাশি শুয়ে ভিডিও টা দেখতে লাগলাম। ফারজানা কিছুক্ষণ দেখার পর বলে এসব জিনিষ আমি দেখবো না। আমি তার থেকে মোবাইল টা নিয়ে নিতে চাইলে সে বলে দাড়াও ভাইয়া আর একটু দেখি। ফারজানা দেখছিলো আর হাসছিলো। আমাকে বলে দেখছো ভাইয়া এরা কি শুরু করছে? আমি তাকে কথা না বলে দেখতে বললাম।


– ফারজানা।

– জ্বী ভাইয়া।

– তোর ভিডিও টা দেখতে কেমন লাগছে?

– ভাল লাগছে ভাইয়া। incest sex


– বোন তোকে একটা কথা বলবো রাখবি?

– জ্বী ভাইয়া, তুমি বল রাখবোনা কেন।

– তোকে একটা কিস করবো?


ফারজানা একটু চুপ থেকে বললো, আচ্ছা ভাইয়া করো। আমি ফারজানার ঠোঁটে একটা কিস দিলাম। ফারজানা হাসতে লাগলো। সে ভিডিও টা শেষ করে বললো। ভাইয়া ঘুমাই যাবো, ঘুম আসছে।


ফারজানা উঠে দাঁড়ানোর সাথে সাথে আমি তার হাত টা ধরে ফেললাম।


– ফারজানা তোকে একটু বুকে জড়াই ধরি?

– হাহাহা, আচ্ছা ভাইয়া ধরো।


আমি ফারজানা কে বুকে জড়াই ধরে তার ঠোঁটে কিস করলাম। ফারজানাও আমাকে শক্ত করে জড়াই ধরে আছে।


আমি ফারজানার দুধে হাত রাখলে ফারজানা আমার দিকে তাকিয়ে হাসি দিল। আমি আস্তে আস্তে ফারজানার দুধ টিপছি, আর তার ঠোঁটে ঘাড়ে কিস দিচ্ছি। ফারজানাও আমাকে কিস দিচ্ছে। কিছুক্ষন পর ফারজানা আমাকে সরিয়ে দিয়ে বলে, অনেক করছো ভাইয়া যাও ঘুমাও। কাল সকালে উঠতে হবে। incest


পরদিন সকালে ফারজানা উঠে আমাকে ডেকে দিল। দুজন ফ্রেশ হয়ে নাশতা করে হোটেল থেকে বের হয়ে গেলাম। কাউন্টারে গিয়ে অনেকক্ষন বসে আছি। আমাদের মত অনেকে বসে আছে। কাউন্টার কতৃপক্ষ একবার বলছে গাড়ী চলবেনা, আরেক বার বলছে একটু পর চলবে।


তখন জানতে পারলাম যে অবরোধ ডেকেছে সকাল বেলা। কোন গাড়ী নাকি চলতে দিচ্ছে না। এক নেতা কে অপহরন করা হয়ছে। তাকে ফিরে না পাওয়া অবধি নাকি অবরোধ চলবে।


ফারজানা কে বললাম গাড়ী তো চলছেনা, কি করা যায়। ফারজানা বললো আবার হোটেলে চলে যায়। আমি বললাম দেখ বোন এখান থেকে দূরে অনেক সুন্দর কয়েকটা জায়গা আছে। সেখান থেকে ঘুরে আসবি নাকি? ফারজানা আবারো হাসি দিল। বললো ভাইয়া তুমি না একদম, চল সেখান থেকে ঘুরে আসি।


কাউন্টার থেকে বের হয়ে ফারজানা আবার একটা দোকানে ঢুকে কিসব কেনাকাটা করে নিল। তারপর একটা সিএনজি নিয়ে জায়গা টার উদ্দেশ্য যাওয়া শুরু করলাম। পাহাড়ী সৌন্দর্য্য দেখে ফারজানা খুব খুশী, সে খুশীতে বারবার আমাকে জড়িয়ে ধরছে। incest


প্রায় ঘন্টা দুয়েক পর আমরা সে জায়গা টাতে পৌঁছে গেলাম। এরপর আমরা আবার রুম খুজতে লাগলাম। এখানে হোটেল নেই। যা আছে সব আদিবাসীদের ঘরের মত। মানুষ জন এখানে কমে আসছে, প্রায় চলে গেছে। এখানে আবার বৃষ্টি লেগে আছে।

বৃষ্টির সময় পাহাড় সবচেয়ে সুন্দর লাগে। খোদার কি অপরুপ সৃষ্টি তা সত্যিকার ভাবে অনুভব করা যায়।


কয়েক জায়গাই কথা বলে দেখলাম সবাই খুব দাম বলছে। তাদের কথা এখানে দাম দিয়ে নিতে হবে। দামের সাথে ঘর গুলা সুন্দর লাগছেনা। খুজতে খুজতে একটু পাহাড়ের উপর গিয়ে দেখি খুব সুন্দর কয়েকটা ঘর। ঘর গুলো এত সুন্দর লাগছে টাকা বেশী নিলেও সেখানে থাকার ইচ্ছে হল। আমরা ঘর গুলার কাছে যেতেই দেখলাম একটা ফ্যামিলি নিচে নেমে আসছে।


আর আমাদের বললো তারা নাকি রুম পাই নাই। তবুও আমি সেখানে গেলাম, ঘরের মালিক বললো আপনারা যদি একটা রুম নেন তাইলে দেয়া যাবে। একটু আগে তাদের দি নাই কারন এখানে দুইটা ঘরে বৃষ্টির পানি পড়তেছে এগুলা ঠিক করতে হবে। একটা ঘর ঠিক আছে সেটা আমরা সাথে সাথে নিয়ে নিলাম। incest


ঘর গুলো খুব সুন্দর, সামনে বাগান বাইরে গেইট আছে। মোটামুটি সেইফ। এর নিছে মালিকের ঘর। খাবার তার থেকে নেওয়ার ব্যবস্থা আছে। তিনি খুব ভাল মানুষ,সে আমাদের ঘর বুঝিয়ে দিয়ে চলে গেল।


আজ চারদিন পর আব্বারা ইন্ডিয়া থেকে কল দিছে। আম্মা প্রথমে আমাকে বললো সেদিন নাকি আপাকে বলতে মনে ছিলনা। আমাকে জিজ্ঞাসা করলো কোথায়? আমি বললাম আম্মা চিন্তা করতে হবেনা, আমি আর ফারজানা বাসাই আছি। আমার ভার্সিটি খুলতে দেরী আছে। তাই তাদের নিশ্চিন্ত থাকতে বললাম। এরপর ফারজানার সাথে কথা বলে রেখে দিল। ফারজানা আম্মার সাথে কথা বলার সময় ভয় পাচ্ছিলো তা নিয়ে হাসাহাসি করলাম।


এরপর আমি আর ফারজানা ফ্রেশ হয়ে নিলাম। সে দুপুরের খাবার দিয়ে গেল। খাবার খেয়ে দুজনে একটু বিশ্রাম নিয়ে ঘুরে এলাম। ফারজানা তো মহাখুশী। এরপর সন্ধ্যা হতেই রুমের মালিক বলে গেল তাড়াতাড়ি খাবার টা নিতে যেতে। এরা নাকি তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে যায়।


– ভাইয়া?

– জ্বী কিছু বলবি বোন?

– তোমার মোবাইল টা আমাকে দাও তো।

– কেন?

– উফফ ভাইয়া তুমি বেশী কথা বল, বুঝনা কেন? ভিডিও দেখবো।

– হাহাহা, তাই নাকি রে বোন ধর নে।

– ভাইয়া তুমি যাও ঘুরো বাইরে, আর রাতের খাবার নিয়ে আসিও। incest


আমি ঘরের মালিকের বাসাই গিয়ে তাদের সাথে অনেকক্ষন কথা বললাম। তাদের সম্পর্কে অনেক কিছু জানলাম। এরপর খাবার নিয়ে এসে গেইট টা বন্ধ করে ফারজানা কে ডাকলাম। ফারজানা আমাকে বাইরে থাকতে বললো। বেশ কিছুক্ষন পর সে দরজা খুলে দিল। আমি দেখলাম ফারজানা লাল শাড়ী টা পড়ে একদম সুন্দর করে সেজে বসে আছে।


– ভাইয়া আমাকে কেমন লাগছে সেটা তো বললে না?

– তোকে অনেক বেশী সুন্দর লাগছে বোন। তুই না বলছিলি শাড়ী টা আমার বৌ এর জন্য রেখে দিতে?

– ভাইয়া এখানে যেহেতু আমাকে সবাই তোমার বৌ মনে করছে তাই এটা আমি পরতেই পারি।

– কিন্তুু বোন তুই তো আমার বৌ না।


– আমাকে তোমার বৌ করে নাওনা ভাইয়া।

– কিভাবে নিব রে? তুই যে আমার বোন।

– তাতে কি ভাইয়া। এখানে যতদিন আছি ততদিন তোমার বৌ থাকবো আর কি। incest sex


তখন আমি ফারজানা কে বললাম চল বোন দুজনে একটা কাবিননামা বানিয়ে নি। তারপর তোকে বৌ করে নিব। ফারজানা এটা শুনে হাসতেই লাগলো আর বলে ভাইয়া আমাকে দেনমোহর কত দিবে?

সে ব্যাগ থেকে কাগজ আর কলম এনে আমাকে দিল। আমি নিকাহনামার মত করে লেখা শুরু করলাম। ফারজানা আর আমার নাম ঠিকানা সহ আরো কিছু লিখে কাবিন নামার মত করে বানালাম। ফারজানা আমাকে বলে ভাইয়া দেনমোহর কত দিবে?


আমি বলছি পাঁচশো, ফারজানা বলে না এক হাজার দিতে হবে। ফারজানা আমার কাছ থেকে একহাজার টাকা নিয়ে নিল। তারপর কাবিন নামাই দুজনে বর কনের জায়গাতে সাক্ষর করে দিলাম। ফারজানা আর আমি হাসতেই আছি। এদিকে বাইরে বৃষ্টির শব্দে যেন আমাদের হাসির সাথে মিলে যাচ্ছে।


– আচ্ছা ফারজানা তুই কি আমার বৌ নাকি বোন?

– ভাইয়া এখন আমি তোমার বৌন বুঝেছো।বোন হলাম বাসাই, এখানে আমি তোমার বৌ।

– তা বৌ হলে কি করতে হয় জানিস তো?

– ভাইয়া আমি সব জানি। আমাকে শিখাতে হবেনা। incest


– হাহাহা, তাই নাকি রে বোন?

– জ্বী ভাইয়া।

– আচ্ছা চল খেয়ে নি।

– ভাইয়া খেতে ইচ্ছে করছে না।


আরে আয় তো দুজন অল্প করে খেয়ে নি।


ফারজানা আর আমি একজন আরেক জন খাইয়ে দিচ্ছি। কোন রকমকম খাওয়া শেষ করে ফারজানা আমাকে বাইরে যেতে বললো। সে না ডাকা অবধি না ঘরে না ঢুকতে নিষেধ করলো। কতক্ষন পর সে ডাকলে আমি ঢুকে দরজা টা বন্ধ করে তার কাছে গেলাম। গিয়ে দেখি সে ফুল দিয়ে সুন্দর করে খাট টা সাজিয়েছে। বুঝতে বাকী রইলো না,আমি খাবার আনতে গেলে সে বাগান থেকে ফুল গুলা নিয়ে রেখেছে।


ফারজানা খাটের উপর ঘোমটা টেনে একদম বৌ এর মত করে বসে আছে। আমি ঘোমটা সরাতেই সে হাসা শুরু করলো। তারপর আমাকে উঠে এসে সালাম করলো। আমি তাকে জড়িয়ে ধরলাম।


– কিরে বোন তুই এতসব পাইছস কোথায় সাজার জন্য?

– ভাইয়া এখানে আসার আগেই কসমেটিকস এর দোকান থেকে কিনছি।

– এত সব কিনলি কেন?

– জানো ভাইয়া গতরাত থেকে ইচ্ছে করছে তোমার বৌ হই। মানুষ এমনেতেই আমাকে তোমার বৌ মনে করতেছে। তাই একদম বৌ হলাম।

– বোন তোকে যে খুব আদর করতে ইচ্ছে করছে রে?

– ভাইয়া আমি তো চাই তুমি আমাকে আদর কর। incest


ফারজানা কে শক্ত করে বুকে টেনে নিলাম। ফারজানাও আমাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো।


– ফারজানা।

– ভাইয়া রে।

– উম্মাহহহহহহহ

– উম্মাহহহহহহহ


একে অপর কে ঠোঁট কিস করতে লাগলাম। ফারজানার ঠোঁট গুলা আমি চুষে চুষে খাচ্ছি। ফারজানা কে নিয়ে খাটে শুয়ে গেলাম। ফারজানার দুধ গুলো টিপে টিপে তাকে কিস করছি। বাইরে বৃষ্টি পড়ছে। আমি আর ফারজানা একে অপর কে কিস কিস করতেছি। আমি ফারজানার শাড়ী টা খুলে দিলাম। আর আমার শার্ট টা খুলে ফেললাম। ব্লাউসের উপরে ফারজানার দুধ গুলা জোরে জোরে টিপতেই আছি। ফারজানা একটু পরপর বলে ভাইয়া ব্যাথা পাচ্ছি আস্তে টিপো, ভাইয়া আস্তে, আহহ ভাইয়া দুধে ব্যাথা পাচ্ছি।


– ফারজানা।

– ভাইয়া বল।

– আমাকে তোর দুধ খেতে দিবি?

– ওহহ ভাইয়া এসব কি বলতে হয় নাকি। ফারজানা ব্লাউস খুলে দিল। আমি ব্রা ভিতর থেকো দুধ বের করে চুষতে থাকলাম। দুধ টা চুষতেছি জোরে।

ফারজানা শুধু আহহ উহহ আহহহ উহহহ করতেছে। আর আমার মাথা টা দুধের মধ্যে চেপে ধরছে। আমি তার দুধ একটা চুষা শুরু করলে অন্য টা টিপতে থাকি।টিপে টিপে তার দুধ খাচ্ছি। ফারজানা শুধু বলছে ভাইয়া আস্তে খাও। incest


ফারজানা উঠে বসলো, আর আমাকে বললো তুমি আমাকে ব্যাথা দিচ্ছ কেন ভাইয়া? আমি বললাম বোন কোনদিন তো আর এসব পাইনি তাই তোকে একটু কষ্ট দিচ্ছি। ফারজানা আমার ধন টা ধরে বলে ভাইয়া এটা এমন হয়ে আছে কেন। আমি বললাম তুই ওটা কে আদর করছিস না তাই। সে বললো তাই নাকি,সাথে সাথে ধন টা বের করে হাত বুলাতে লাগলো। আর বলে ভাইয়া এতবড় জিনিষ তো আমি পারবোনা বলেই হাসতে লাগলো।


– বোন ধন টা একটু মুখে নে না।

– যাহ ভাইয়া এসব আমি পারবোনা আমার ঘৃনা লাগে।

– কেন রে? আচ্ছা থাক নিতে হবেনা।

– ভাইয়া রাগ করছো কেন? এমন ধন তো নিতেই হবে।


– আচ্ছা ফারজানা তুই এসব জানলি কেমন করে?

– আমার অনেক বান্ধবী এসব করছে ভাইয়া, তারা আমাকে বলে, ওরা বলে যে আমি নাকি এসবের মজা বুঝবোনা। আর ভিডিও তে দেখছি ভাইয়া।

– ওহ তাই নাকি রে বোন?

– জ্বী ভাইয়া। incest


ফারজানা আমার ধন টা মুখে নিয়ে বসে একটু একটু চুষছে। আমি বললাম বোন ভাল করে দে। তখন ফারজানা ধন টা উমমম উমমম করে চোষা শুরু করলো। কিছুক্ষন পর সে শুয়ে পরলো। আমি তার গা থেকে সব কাপড় খুলে দিলাম। আমি নিজেও খুলে ফেললাম। দুজন দুজন কে জড়িয়ে ধরে আবার কিস করা শুরু করলাম। আমি ফারজানার সোনা হাত দিতেই সে কেঁপে উঠলো। আর বললো ভাইয়া ব্যাথা পাবো। আমি তার সোনায় আঙ্গুল ঢুকানোর সাথে সাথে সে কেঁদে উঠলো দেখি রক্ত পরছে। আবার তার সোনাটা পরিস্কার করে মুছে দিলাম।


– ভাইয়া তুমি এমন কেন?

– স্যরি বোন, আর ব্যাথা দিব না।

– ভাইয়া তুমি বুঝনা আস্তে করতে হবে তো।

– আচ্ছা বোন কাজ টা কি ভাল করছি আমরা? এসব করা কি উচিত হচ্ছে?

– ভাইয়া এসব ভেবে আর লাভ নেই। যা হওয়ার তা তো হবেই। এখান থেকে চলে গেলে এসব তো আর হবেনা।


– কিন্তুু আমরা ভাইবোন এসব করছি যদি কখনো কেউ জানতে পারে কি হবে?

– ভাইয়া তুমি এসব নিয়ে ভেবো না। তুমি আর আমি ছাড়া কেউ কখনো জানবে না।

– তাই যেন হয় বোন। যদি কেউ জানে তখন আম্মা আব্বা আর মুখ দেখাতে পারবেনা।

– ভাইয়া কেউ জানতে পারবে না। আমি এখন তোমার বৌ সেটা মনে করো। incest


– আচ্ছা ফারজানা তুই হঠাৎ এমন হয়ে গেলি কেন? বাসাই তো একদম কথাও বলিস না।

– ভাইয়া আমি বান্ধবীদের সাথে অনেক দুষ্টামি করি। কিন্তুু বাসাই আব্বার ভয়ে চুপ থাকি।

– তোর কি আমার সাথে এসব করতে ভাল লাগছে?

– ভাল না লাগলে কি আর করতাম ভাইয়া? তোমার ভাল লাগছেনা বুঝি?

– নারে বোন, আমার খুব ভাল লাগছে।


ফারজানা আমাকে জড়িয়ে ধরে কিস করতে লাগলো। আর বললো ভাইয়া তোমার বোন কে চুদবে না? আমি তার মুখ থেকে এমন কথা শুনে আরো উত্তেজিত হয়ে গেলাম।


ফারজানা আমাকে কনডম বের করে দিল। সে বললো কসমেটিকসের দোকান থেকে কিনে নিছিল যাতে কোন ঝামেলা না হয়।


কনডম টা পরে ফারজানার সোনায় ধনটা লাগিয়ে দিলাম চাপ। ফারজানা আহহহ ভাইয়া আস্তে করো উহহহ আস্তে।


আমি ফারজানার ঠোঁটে কিস করে তাকে চুদতে থাকলাম। ফারজানা শুধু আহহহ, উহহহ,উহহহ,আহহহহ ভাইয়া আস্তে, ভাইয়া আস্তে আহহহ উহহহ করতে লাগলো। incest


ফারজানার দুধ চুষে চুষে চুদতে থাকলাম।

ফারজানা আহহহহ আহহহহহ আহহহহহহ উহহহহহ করতেছে। ভাইয়া তোমার বোন কে চুদো ভাইয়া। আস্তে চুদো ভাইয়া। আমিও বলছি ফারজানা কে বোন তোকে চুদে চুদে মজা দিব।


এরপর ফারজানাকে আমার কোলের উপর বসিয়ে কিস করে করে চুদছি।ফারজানা তার দুধ আমার মুখে ধরে আছে। ফারজানা আহহ উহহহ করছে আর বলছে ভাইয়া জোরে জোরে চুদো,জোরে চুদো ভাইয়া। ভাইয়া আহহহ উহহহ। ভাইয়া অনেক মজা লাগছে

আমি বলছি বোন তোকে চুদে এত মজা পাবো বুৃঝতে পারিনি। ওহহহ বোন তুই এটা জিনিষ। ফারজানা আমাকে জড়িয়ে ধরে আহহহ আহহহ করছে,আর একসময় আমার মাল আউট হয়ে গেল।


এরপর ফারজানা আমি একে অপরকে জড়িয়ে ধরে এভাবেই ঘুমিয়ে গেলাম সকালে উঠে ফ্রেশ হয়ে আবার দুজনে চুদাচুদি করলাম। এভাবে দুদিনে আরো অনেকবার চুদেছি ফারজানা কে। এরপর আমরা আবার বাসাই চলে এলাম। বাসাই এসেও ফারজানা আর আমি আবারো চুদলাম কতদিন। ফারাজানা এই কদিনে আগের চেয়ে অনেক সুন্দর হয়ে গেছে। incest


প্রায় দশ বারো দিন পর আব্বারা ইন্ডিয়া থেকে চলে এল। আমিও আবার আগের মত ভার্সিটি তে চলে আসলাম।

এর চার পাঁচ বছর পর ফারজানার বিয়ে হয়ে গেল। খুব ভাল জায়গাতে তার বিয়ে হয়েছে। আমিও বিয়ে করেছি অনেকদিন হল। এখন চাকরী করছি,আল্লাহর অশেষ মেহেরবানীতে ভাল আছি। প্রায় দু তিন মাস ধরে ঘরে বসে আছি বের হতে পারছিনা। কোথাও যাওয়া হচ্ছেনা। নেটে গল্প পড়তে পড়তে এক সময় মনে হল আমিও ঘটনাটা বলি। আমার নিজের বৌ কে নিয়ে এখনো কোথাও বেড়াতে যায়নি। ভাবছি বৌ কে নিয়ে আবার সেখানে একবার বেড়াতে যাবো।

Post a Comment

Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.